মাশরাফির অবসর প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পাপন

স্পোর্টস ডেস্ক- আগেই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল, ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি পেসার কোর্টনি ওয়ালশকে আর পেস বোলিং কোচ হিসেবে রাখছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিশ্বকাপ পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে গেছে। সেই চুক্তি আর নবায়ন করতে ইচ্ছুক নয় বিসিবি। অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবেই বিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, ওয়ালশের সঙ্গে চুক্তি আর বাড়ানো হবে না। এর আগে গতকাল প্রধান কোচ স্টিভ রোডসকে মেয়াদের এক বছর আগেই সমঝোতার ভিত্তিতে বিদায় দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

পুরো বিশ্বকাপজুড়েই বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি একটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে অনেক বেশি। সেটি দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার অবসর। অনেকেই ধরে রেখেছিলেন এবারের বিশ্বকাপেই হয়তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দেবেন টাইগার অধিনায়ক।

কিন্তু বিশ্বকাপের মাঝপথে সংবাদ সম্মেলন করে মাশরাফি জানিয়ে দিয়েছিলেন, এবারের বিশ্বকাপই তার শেষ টুর্নামেন্ট নয়। বরং বিশ্বকাপ শেষ করে দেশে ফিরে তবেই জানাবেন ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা। বিশ্বকাপে তার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স খুবই বাজে হওয়ায় অবসরের আলোচনাটা হয়েছে একটু বেশিই।

তাই দেশে ফেরার পরেও বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রাখা হয়েছিল অবসরের প্রসঙ্গ। জানতে চাওয়া হয়েছিল চলতি মাসের শেষের দিকে শ্রীলঙ্কা সফরে যাবেন কি-না মাশরাফি। ভ্রমণক্লান্তিতে বিষাদগ্রস্ত মাশরাফি জানিয়েছিলেন এ ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।

যার ফলে জানা যায়নি মাশরাফির ভবিষ্যত পরিকল্পনার ব্যাপারে। তবে একটি ব্যাপার নিশ্চিত খুব বেশি দিন বাকি নেই তার ক্যারিয়ারের। তাই তো বিসিবির পক্ষ থেকেও ভাবা হচ্ছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিদায় জানানোর কথা।

ইংল্যান্ডে সংসদীয় বিশ্বকাপে অংশ নিতে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমে পাপন জানিয়েছেন মাশরাফিকে স্মরণীয় বিদায় দেয়ার পরিকল্পনার কথা। যাতে করে দেশের ইতিহাসের সেরা অধিনায়ক বীরের মতো করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে পারেন।

পাপন বলেন, ‘মাশরাফিকে আমরা দেশের মাটিতে স্মরণীয় বিদায়ের চিন্তা ভাবনা করছি এবং আমরা এরেঞ্জ করবো সে যেন দেশের মাটিতেই বীরের মত বিদায় নিতে পারে। কারণ, বাংলাদেশের ক্রিকেটে দুটি বড় চরিত্র। এক. মাশরাফি সর্বশ্রেষ্ঠ অধিনায়ক। দ্বিতীয়, সাকিব আল হাসান। সর্বকালের সেরা পারফরমার। সেই সেরা অধিনায়ককেই আমরা চেষ্টা করবো দেশের মাটিতে সম্ভাব্য সেরা বিদায়ের ব্যবস্থা করতে এবং সেটা যেন স্মরণীয় হয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *