৪ নিয়ম মেনে চললে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমবে

ডায়াবেটিস খুব পরিচিত একটি রোগ। বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে ডায়াবেটিস। বাংলাদেশে এটি প্রায় ঘরোয়া রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে কেউ যদি চারটি নিয়ম মেনে চলেন তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমবে।

পারিবারিক ইতিহাস, ওজন বৃদ্ধি, অস্বাস্থ্যকর খাবার, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ইত্যাদি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। মিষ্টি বেশি খেলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে আর এ কারণে পরোক্ষভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কিছুটা বাড়ে।

ডায়াবেটিস কি?

স্বাভাবিকের চেয়ে রক্তে বেশি শর্করা বা সুগার থাকলে তাকে বলা হয় ডায়াবেটিস মেলাইটাস বা সংক্ষেপে ডায়াবেটিস। বাংলায় এই রোগকেই মধুমেহ বলা হয়।

ডায়াবেটিসের প্রকারভেদ

ডায়াবেটিস প্রধানত দুই প্রকারের। টাইপ ওয়ান এবং টাইপ টু। এ ছাড়াও আরও বেশ কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে।

টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস কী?

টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস প্রধানত কম বয়সীদের হয়। বিভিন্ন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামক হরমোনটি নির্গত হয় না। এই অবস্থায় ইনসুলিনের অভাব পূরণে ইনজেকশন দেয়া ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। মোটামুটিভাবে সব ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে ১০ শতাংশ রোগী এই ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন।

টাইপ টু ডায়াবেটিস কী?

এই ধরনের ডায়াবেটিস সবচেয়ে বেশি হয়। ভারতেও টাইপ টু ডায়াবেটিসে বেশিসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হন। মধ্যবয়স্ক, উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি, প্রধানত পরিশ্রমবিমুখ জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষ এই রোগের শিকার হন। তবে আগেও বলেছি বংশানুক্রমিক ইতিহাস এবং জিনগত প্রভাবও এই রোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে।

আসুন জেনে নেই যে ৪ নিয়ম মেনে চললে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমবে।

১ .স্বাস্থ্যকর ও আঁশযুক্ত খাবার ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ খাবার। ফল, সবজি, বাদাম ইত্যাদির মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ।

২. অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অতিরিক্ত ওজন কমানোর চেষ্টা করুন। উচ্চতার সঙ্গে ওজনের ভারসাম্য থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ঝুঁকি কমবে।

৩. সুস্থ থাকতে হলে ব্যায়াম করা বিকল্প নেই। ব্যায়াম করা টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০ মিনিট হাঁটা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

৪. ধূমপান ইনসুলিন রেসিসটেন্স তৈরি করে। এটি ডায়াবেটিসের পূর্বাভাস। তাই ধূমপান পরিহার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *