টিকিট নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে মানুষ

ঈদে আগাম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিনেও স্টেশনে ভিড় করেছেন টিকিট প্রত্যাশীরা। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় পয়লা জুনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। তবে কোন স্টেশন থেকে কোন অঞ্চলের টিকিট দেয়া হচ্ছে সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় বিভ্রান্তিতে পড়ছেন টিকিট প্রত্যাশীরা। এদিকে, যে কোনো ধরনের কালোবাজারি প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ।

বছর পেরিয়ে আবারো সেই চিরচেনা দৃশ্য। মধ্যরাত থেকে, কেউ বা আবার আগের রাত থেকেই স্টেশনের কাউন্টারগুলোতে শুয়ে, বসে,বই পড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছেন টিকিট নামক সোনার হরিণের জন্য।

অবশেষে অপেক্ষার সমাপ্তি। সকাল নয়টায় কমলাপুরসহ নির্ধারিত ৫টি স্টেশনে শুরু হয় ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। তবে, মোবাইল অ্যাপে টিকিট না পাওয়াসহ প্রতিটি টিকিট বিক্রিতে বেশ সময় লাগছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। সব কষ্ট আর অভিযোগ ছাপিয়ে টিকিট হাতে পেয়ে আনন্দের সীমা ছিলো না অনেকের। একজন টিকিট প্রত্যাশী বলেন, এক কষ্ট করে টিকিট পেয়েছি, সে অনুভূতি ব্যক্ত করার মত ভাষা নেই। এত খুশি, বলার মত না।

যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এবারই প্রথম কমলাপুর, বিমানবন্দর, বনানী, তেজগাঁও এবং ফুলবাড়িয়া রেলস্টেশনে টিকিট বিক্রি কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হলেও পর্যাপ্ত প্রচার না থাকায় তা ভোগান্তির কারণ হয়েছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

একজন ভুক্তভোগী বলেন, বিমানবন্দরে টিকিট না পেয়ে আবার এখানে এসেছি। এই যে ভোগান্তি এটা আগেই জানানো উচিত ছিল। এদিকে, যে কোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে এবং রেলস্টেশনগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ।

কমলাপুর রেলওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ ইয়াসিন ফারুক মজুমদার বলেন, এখানে পুলিস, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী আছে। যাতে করে টিকিট কালোবাজারি বা অপরাধের সম্মুখীন না হয় তার জন্য আমরা আছি।

অন্যদিকে, চট্টগ্রামেও একই সময়ে শুরু হয়েছে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি কার্যক্রম। চারটি রুটে প্রতিদিন ৭ হাজার ৪১টি টিকিট দেয়া হবে যাত্রীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *