কাদের উপর যাকাত ফরজ?

হোছাইন আহমাদ আযমী : যাকাতের মত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ আদায়ের জন্য প্রয়োজন সে বিষয় সম্পর্কে শরয়ী মাসআলা মাসায়েল গুলো জানা। প্রথমেই আমরা জানব কাদের উপর যাকাত ফরজ হয়।
যাদের উপর যাকাত ফরয হয় তারা হলো, সুস্থ মস্তিষ্ক, আযাদ, বালেগ, মুসলমান, নিসাব পরিমান সম্পদের মালিক হলে যাকাত আদায় করা তার উপর ফরজ (আদ্দুররুল মুখতার ২/২৫৯ বাদায়েউস সানায়া ২/৭৯, ৮২)। কাফির, পাগল, না বালেগ শিশুদের উপর যাকাত ফরজ নয়। (মসান্নাফে আবী শায়বা,৬/৪৬১-৪৬২;রদ্দুল মুহতার২/২৫৮-২৫৯)

যেসব জিনিষের উপর যাকাত ফরয হয়ঃ (১ম পর্ব)
১. সব ধরনের সম্পদ ও সামগ্রীর ওপর যাকাত ফরজ হয়না। শুধু সোনা, রূপা, টাকা পয়সা, পালিত পশু (নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী) এবং ব্যবসার পণ্যে যাকাত ফরয হয়।
২. সোনা- রূপার অলংকার সর্বদা বা কালেভদ্রে ব্যবহৃত হোক কিংবা একেবারেই ব্যবহার না করা হোক সর্বাবস্থাই তার যাকাত দিতে হবে (সুনানে আবু দাউদ১/২৫৫)।
৩. অলংকার ছাড়া সোনা রূপার অন্যান্য সামগ্রীর উপরও যাকাত ফরয হয়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৭০৬১,৭০৬৬,৭১০২)
৪। জামা কাপড় কিংবা অন্য কোন সামগ্রীতে সোনা রূপার কারুকার্য থাকলে তাও যাকাতের হিসাবের অন্তর্ভূক্ত হবে এবং যে পরিমান সোনা রূপা কারুকার্যে লেগেছে অন্যান্য যাকাতযোগ্য সম্পদের সাথে তারও যাকাত দিতে হবে। মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৭০৬৬; মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা হাদীস ১০৬৪৮,১০৬৯,১০৬৫১)
৫। সোনা রূপা ছাড়া অন্যকোন ধাতুর অলংকার ইত্যাদীর যাকাত ফরয নয়। তদ্রুপ হিরা,মণি, মুক্তা, ইত্যাদি মুল্যবান পাথর ব্যবসা পণ্য না হলে সেগুলোতে যাকাত ফরয নয়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক ৭০৬১,৭০৬৪)

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোযা-২২
আমেরিকার চিন্তাবিদ জনাব গ্রেগরী, ইউনিভার্সিটি, কলেজ ও ক্লাবে এবং টেলিভিশনে তার শ্রোতাদেরকে বলেন, রোযার মাধ্যমে শরীরের পবিত্রতা অর্জন হয়। এবং শরীরের ক্ষতিকর জিনিসগুলো সরে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *