এমপিওভুক্ত হচ্ছে যেসব প্রতিষ্ঠান

আগামী এক মাসের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। জানা গেছে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রায় আড়াইহাজার প্রতিষ্ঠান যোগ্য হয়েছে। তাদের সবারই এমপিওভুক্ত কথা জানিয়েছেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, যারা যোগ্য সবারইতো এমপিও পাওয়ার কথা। কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে যদি এক হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিও করা হয় তাহলে বাড়ি দেড় হাজারের দোষ কী । তাদের কেন বঞ্চিত করা হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, সব প্রতিষ্ঠান অর্থ্যাৎ যোগ্য আড়াই হাজারই এমপিওভুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। সবাইকে এমপিওভুক্তির শতভাগ সুবিধা না দিতে পারলেও এ সুবিধা পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। সবাই অন্তত এমপিওভুক্ত হোক। তিনি বলেন, অপেক্ষায় আছে আরো অনেক প্রতিষ্ঠান। যেগুলো পরবর্তীতে এমপিওভুক্ত যোগ্য হবে। সেগুলোও তো বিবেচনায় আনতে হবে।

ডা. দীপু মনি বলেন, এমপিওভুক্তির জন্য চারটি সূচকের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। এই সংখ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে। সেখান থেকে মন্ত্রণালয় এখন যোগ্য প্রতিষ্ঠান ঠিক করছে। তিনি বলেন, চারটি প্রধান শর্তের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে তারা যোগ্য প্রতিষ্ঠান বাছাই করে রেখেছেন। সংখ্যাটি প্রায় আড়াই হাজারের কাছাকাছি।

উল্লেখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির যোগ্যতা পরিমাপক সূচক ধরা হয়েছে ৪টি। এগুলো হলো একাডেমিক স্বীকৃতির বয়স, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সংখ্যা, পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী এবং পাসের হার। প্রতিটি সূচকে মান ২৫। মোট মান ১০০। একাডেমিক স্বীকৃতিতে কাম্যমান ৫ এবং অন্য তিনটি সূচকে কাম্যমান ১৫ থেকে শুরু হয়েছে। কাম্যমানের নীচে গেলে ওই সূচকে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ০ (শূন্য) স্কোর দেওয়া হয়েছে। একটি উদাহরণ, মফঃস্বলের একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাম্য শিক্ষার্থী ধরা হয়েছে ১৫০ জন। এর নীচে একজন শিক্ষার্থী থাকলেও স্কোর ০ (শূন্য) মিলেছে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ জন না হলে এবং পাসের হার ৭০ শতাংশের নীচে হলেও স্কোর ০ (শূন্য) হয়েছে।

স্কোর বেশি পাওয়া আড়াই হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির যোগ্য বিবেচিত হয়েছে সে তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। আগামী এক মাসের মধ্যেই এ ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *