‘রণদা প্রসাদ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন’

মির্জাপুর প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। তিনি যেমন এক হাতে অর্থ উপার্জন করতেন আর এক হাতে মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দিতেন। তিনি সকলের কথা ভেবেছেন।

তাই তিনি দেশের বৃত্তশালীদের অনুসরণ করতে বলেন তাহলে আর আমাদের দেশের মানুষের কোনো কষ্ট থাকবে না। কুমুদিনী ট্রাস্টের মাধ্যমে অনেক সেবামূলক কাজ করা হচ্ছে। কুমুদিনীকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সকল ধরণের সহযোগিতা দেয়ারও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষকে বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেবার জন্য দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা কুমুদিনী হাসপাতাল স্থাপন করেছেন। কুমুদিনী ট্রাস্ট মানবতা সেবায় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক প্রদান ও কুমুদিনীর ৮৬ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ভাষণকালে তিনি এ সকল কথা বলেন। সে সময় তিনি শিক্ষার্থীদের মনোজ্ঞ ডিসপ্লের প্রশংসাও করেন।

এদিকে বেলা ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌছালে অনার অব গার্ড প্রদান করেন পুলিশ বাহিনী। পরে তিনি টাঙ্গাইল জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার ১২ টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৯ টি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেন, এবার রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদকে ভূষিত দেশ বরেণ্য চার ব্যাক্তি। পদক পেয়েছেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (মরণোত্তর) পক্ষে পদক গ্রহন করেন শেখ রেহানা, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর) পক্ষে পদক গ্রহন করেন খিলখিল কাজী, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম এবং চিত্রশিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন। রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক প্রতিভা মুৎসুদ্দির সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য করেন কুমুদিনীর পরিচালক শ্রীমতি সাহা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা এবং প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন – কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, সচিব ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেৃতবৃন্দরা। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘটে।

উল্লেখ, এর আগে রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক দেয়া হয় ২০১৫ সালে ২ জন এমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং জাতীয় অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মদ ইব্রাহিম (মরণোত্তর) পক্ষে অধ্যাপক ডাক্তার এ.কে. আজাদ খান। ২০১৬ সালে ৩ জন প্রয়াত কবি বেগম সুফিয়া কামাল (মরণোত্তর) পক্ষে অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, শাইখ সিরাজ ২০১৭ সালে ৩ জন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (মরণোত্তর) পক্ষে আরমা দত্ত, স্যার ফজলে হাসান আবেদ, অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *