নতুন বছরে টাকা জমান ৭টি উপায়ে

খরচ কমাতে অনেক কিছুই করেছেন এই বছর। ডিশের লাইন কেটে দিয়েছেন, বাইরে খাওয়ার বদলে বাসা থেকে টিফিন বক্সে লাঞ্চ নিয়ে যাচ্ছেন, আর ছেড়েই দিয়েছেন ধূমপান। কিন্তু এরপরেও কেন বছরের শেষে হাতে টাকা জমা নেই? চলুন, নতুন বছরে জেনে নিই টাকা জমানোর নতুন কিছু কৌশল-

১) বিলের মতোই টাকা জমান নিয়মিত

প্রতি মাসে যেমন নির্দিষ্ট পরিমাণে বাসা ভাড়া দিতে হয়, তেমনি প্রতি মাসে নিয়মিত একটা অঙ্কের টাকা জমান। এটাকেও আরেকটা বিল মনে করুন। এক মাসে এক হাজার জমালেন, আরেক মাসে দশ হাজার- এমনটা যেন না হয়। প্রতি মাসের বেতন পেয়েই সেটুকু টাকা সেভিংস একাউন্টে ট্রান্সফার করে ফেলুন।

২)সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে কথা বলুন

মোবাইল ফোনের প্যাকেজ, ইন্টারনেট প্যাকেজ, জিম মেম্বারশিপ- এগুলোর জন্য রেগুলার প্যকেজ ব্যবহার না করে বরং কোম্পানির সাথে কথা বলে দেখে নিন কমদামে আপনার জন্য উপযোগী কোনো প্যাকেজ আছে কিনা। যেমন আপনি হয়ত সপ্তাহে ২-৩ দিন জিম ব্যবহার করবেন। সেক্ষেত্রে ৩০ দিনের খরচ দেওয়ার কোনো দরকার নেই। এতে খরচ যতটা কমে, ততটাই আপনার জন্য লাভজনক। বছর শেষে অনেকগুলো টাকা বেঁচে যাবে।

৩) কর্মক্ষেত্রে ডিসকাউন্টের খোঁজ নিন

অনেক কোম্পানিতেই কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা করা হয়। যেমন ফোনের বিল, খাবারের বিল বা জিম মেম্বারেশিপের ক্ষেত্রে। আপনার কোম্পানিও হয়তো এমন ডিসকাউন্টের সুযোগ দিচ্ছে যা আপনি জানেন না। এ বিষয়ে খোঁজ নিন।

৪) ক্যাশ ব্যাক অফার ব্যবহার করুন

ক্রেডিট কার্ডে, মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে এমনকি কিছু কিছু অ্যাপেও ক্যাশব্যাক অফার থাকে। টাকা বাঁচানোর জন্য অবশ্যই এসব অফার ব্যবহার করুন।

৫) ‘ওয়ান আইটেম ইন, ওয়ান আইটেম আউট’

এই নিয়মে নতুন কিছু কিনতে চাইলে অবশ্যই পুরনো একটি আইটেম বিক্রি করে দিন। এতে দুইটি উপকার হবে, ১) কোনো কিছু কেনার আগে আপনি দ্বিতীয়বার ভাববেন ও ২) যা কিনছেন তা নিয়মিত ও যত্নের সাথে ব্যবহার করবেন। পোশাক, ঘর সাজানোর জিনিস এমনকি ইলেকট্রনিকসের বিষয়ে এই নিয়ম মেনে চলুন।

৬) ‘হাফ পেমেন্ট’ বাজেট ব্যবহার করুন

আপনার আয় যদি এতই কম হয় যে বাড়িভাড়া, পানির বিল, গ্যাসের বিল এসব দিতেই আপনার পকেট ফাঁকা হয়ে যায়, তাহলে এসব বিলকে দুই ভাগে ভাগ করে নিন। প্রথম মাসের আয়ে অর্ধেক পরিশোধ করুন, পরের মাসের আয়ে বাকি অর্ধেক। এতে আপনার হাতে কিছু টাকা রয়ে যাবে যা আপনি বিনিয়োগ করে আয় বাড়াতে পারবেন এ সময়ের মাঝে।

৭) কেনাকাটার জন্য অ্যাপ ব্যবহার করুন

না, শখের কেনাকাটা নয়। বরং গ্রোসারি বা বাজার করার জন্য অ্যাপ ব্যবহার করুন এবং কখন বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের ওপর সেল দেওয়া হচ্ছে খেয়াল রাখুন। ক্যাশ ব্যাক রিওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এমনকি এতে ফ্রি জিনিসও পেতে পারেন।

সুত্র: হাফিংটন পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *