‘চিকিৎসা সক্ষমতা অনেকগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে’

করোনাভাইরাসের চিকিৎসা সক্ষমতা অনেকগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যে আমরা চিকিৎসা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জরুরিভিত্তিতে ২ হাজার ডাক্তার এবং ৫ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন। হাসপাতালগুলোতে সকল ধরনের রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ সন্ধ্যায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে একযোগে প্রচার ও সম্প্রচার করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হাসপাতালকেও আমরা করোনাভাইরাস চিকিৎসায় সম্পৃক্ত করেছি।
চিকিৎসা সেবায় যারা নিয়োজিত তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরে উপলক্ষে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি ডাক্তার, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের যাঁরা সামনে থেকে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। শুভেচ্ছা জানাই পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ যাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ত্রাণসামগ্রী বিতরণসহ সরকারের নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রে করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির দাফন ও সৎকারের ব্যবস্থাও তাঁদের করতে হচ্ছে। সংবাদকর্মীগণ সংক্রমনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরছেন এবং মানুষকে সচেতন করতে সহায়তা করছেন। তাঁদেরও ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এসব কাজ করতে গিয়ে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য, ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্মী এবং সংবাদকর্মী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেশ কয়েকজন ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ব্যাংক ও সংবাদকর্মী ইতোমধ্যে মারা গেছেন। আমি তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যসহ বিদেশে বসবাসকারী সাড়ে ৬ শোরও বেশি বাংলাদেশী ভাইবোন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আমি সকলের রুহের মাগফিরাত এবং আত্মার শান্তি কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *