বুকের কফ দুর করুই এই সহজ পদ্ধতিতে মাত্র ২দিনে

চলছে শীতকাল। আর বলাবাহুল্য এইশীতে অনেকেরই ঠান্ডার সমস্যায় ভুগতে হয়। পরতে হয় বিপদে। এমন এক বিপদের নাম বুকে কফ জমা। আজকের লেখায় আমরা জানবো কিভাবে ২ দিনের মধ্যে বুকের কফ দুর করবেন। গলার গ্ল্যান্ডগুলো দিনে প্রায় এক থেকে দুই লিটার কফ তৈরি করে। শ্বাসনালি কোনো কারণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কফ তৈরি করলে আমরা গলায় অস্বস্তিকর কফের অনুভুতি পাই। কফ হল কাশি সৃষ্টির জন্য অন্যতম একটি কারণ।

এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে এটি দ্বারা শ্বাসযন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সর্দি, কফ দূর করা যায় সহজেই। আসুন তাহলে দেরি না করে জেনে নিই কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে সর্দি কফ দূর করা যায়।

হলুদ: হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান বুক থেকে কফ, শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

আদা: এটি পাত্রে পানি নিয়ে এক টেবিল চামচ আদা কুচি মেশান। এবার এটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। বলক আসলে এতে সামান্য মধু দিয়ে দিন। দিনে তিনবার এই পানীয়টি পান করুন। এছাড়া এক চা চামচ আদা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়ো, এবং লবঙ্গের গুঁড়ো দুধ অথবা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। এক টুকরো আদা নিয়ে মুখে চাবাতে পারেন। আদার রস বুকের কফ সরিয়ে ফেলে আরাম দেয়।

লেবু এবং মধু: লেবু পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বুক থেকে কফ দূর করে গলা পরিষ্কার করে থাকে।

পেঁয়াজ: সম পরিমাণের পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং পানি একসাথে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। কিছুটা গরম হলে নামিয়ে ফেলুন। কুসুম গরম এই পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এছাড়া পেঁয়াজের ছোট টুকরো খেতে পারেন।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: গলার কফ সরাতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার দারুন কাজ করে। এক কাপ কুসুম গরম পানিতে দুই চা চামচ বিশুদ্ধ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে এক চা চামচ মধু মেশান। এইবার এই পানীয় দিনে তিনবার পান করুন। দেখবেন বুকের কফ অনেক কমে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *