ব্লাউজের সাতকাহন

শাড়ি বাঙালি নারীর প্রথম পছন্দ। যতই আধুনিক পোশাক আসুক না কেন, শাড়ির চাহিদা কখনই কমে না। আর শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের রয়েছে গভীর সখ্য। তাই তো শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ হওয়া চাই স্টাইলিশ। কালে কালে শাড়ি পরার ধরন ও ব্লাউজে কাটে বদল এসেছে। নতুন নতুন ডিজাইনের ব্লাউজ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কোন ব্লাউজটি আপনার জন্য সঠিক, জানেন কি?

এখনকার তালিকায় ব্লাউজের কাট অফুরান। বোটনেক, ক্রপ ব্লাউজ, স্লিভলেস, ডিপ নেক, চাইনিজ় কলার, কোল্ড শোল্ডার… কত কী! তবে ব্লাউ‌জের কাট বাছার আগে নিজের শারীরিক গঠনেও নজর দিতে হবে। জেনে নিন কিছু টিপস –

১. পিঠকাটা ব্লাউজ পরতে হলে পিঠের যত্ন নেওয়াও জরুরি। ট্যান পড়ে যাওয়ার দাগ স্পষ্ট হয়ে পিঠে ধরা দিলে ভাল দেখাবে না। তাই পিঠের ঘষামাজাও মাস্ট লিস্টে ঢুকবে। উৎসবে অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে পিঠে অল্প মেকআপও করে নিতে পারেন। এমন টাইট ব্লাউজ পরবেন না, যার উপর দিয়ে মেদ চোখে লাগে। সেখানে বরং পিঠের কাট বেশি ডিপ না করাই ভাল।

২. হাতে মেদ জমলে স্লিভলেস পরার আগে সাবধান হতে হবে। স্লিভলেস স্লিভের ফাঁক দিয়ে চর্বির স্তর কিন্তু মোটেই দেখতে ভাল লাগে না। সে ক্ষেত্রে কনুই পর্যন্ত হাতাওয়ালা ব্লাউজ বেছে নিতে পারেন। হাতের মেদ ঢাকতে কোল্ড শোল্ডার ব্লাউজও পরতে পারেন।

৩. আপনার স্তন ভারী হলে বোটনেক পরলে আরও ভারী দেখায়। সে ক্ষেত্রে বোটনেকটা গলার দিকে একটু ছড়িয়ে দিতে হবে।

৪. ব্লাউজের কাজও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কাঁধের কাছে ভারী কাজ থাকলে শরীরের গড়ন চওড়া দেখায়। তার জায়গায় ছোট ছোট নকশা বেছে নিতে পারেন।

৫. সাজকে স্পেশাল করে তুলতে শিফন বা সিল্কের শাড়ির সঙ্গে পরতে পারেন কাট-ওয়ার্ক ব্লাউজ। জরি ও স্টোনের কারুকার্য করা এই ব্লাউজের ডিজাইন সকলের নজর কাড়বে।

৬. নেট, জার্দৌসি এবং রেশমের কারুকার্য করা এই ব্লাউজ এখন খুব ফ্যাশনেবল। সোনালি বা লাল রঙের এই স্টাইলের একটি ব্লাউজ থাকলে, যে কোনও শাড়ির সঙ্গে পরতে পারবেন।

৭. স্ট্রেট বোট নেক এখন ফ্যাশনে খুব চলতি। এই ডিজাইনার ব্লাউজের সঙ্গে সিম্পল শাড়ি পরলেও খুব ভালো মানাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *