গাজরে মিলবে ত্বকের উজ্জ্বলতা

বিভিন্ন প্রসাধনীর ব্যবহার, চিকিৎসকের সাহায্যেও সবসময় মিলছে না ত্বকের ঔজ্জ্বল্য। তবে এত পরিশ্রমের প্রয়োজন নেই, রান্নাঘরে একটু ঢুঁ মারলেই মিলবে উজ্জ্বল-চকচকে ত্বক!

ত্বকের যত্নে গাজরের ভূমিকা অনস্বীকার্য হয়ে উঠতে পারে। শরীরের সুস্বাস্থ্য বজায়ের সাথে চোখ এবং চুলের ক্ষেত্রে গাজরের ভূমিকা রয়েছে।

গাজরকে সবজি বা তরকারির মধ্যে, সালাদের মধ্যে, জুস তৈরি করে— নানাভাবে খাওয়া যায়। ত্বকের উপরও গাজর কিন্তু বাস্তবিক অর্থে জাদু করতে পারে।

গাজরের ফেসপ্যাক তৈরির কৌশল:

শুষ্ক ত্বকের জন্য: গাজরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, ফলে ত্বকের ভিতরে পৌঁছে ময়েশ্চারাইজেশন জোগায় এবং ত্বককে চকচকে করে ফেলে। একটি গাজরের অর্ধেক পেস্ট করে নিন। তার মধ্যে এক চামচ মধু ও এক চামচ দুধ মিশিয়ে মুখে ১৫ মিনিট মেখে রাখুন। তারপরে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য: গাজরে প্রচুর ভিটামিন এ পাওয়া যায়। ১ টেবিল চামচ দই, বেসন এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সঙ্গে গাজরের পেস্ট মিশিয়ে তা মুখে মেখে রাখুন। ১ ঘণ্টা পরে উষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের ফর্সা ভাব ফেরাতে: গাজরের রসের সঙ্গে দই এবং ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ১৫ মিনিট মুখে মেখে রাখুন। তারপরে উষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। এটি নতুন কোষের গঠনে সাহায্য করবে।

সূর্য রশ্মি থেকে বাঁচতে: গাজরের মধ্যে থাকে বেটা ক্যারোটিন এবং ক্যারোটিনয়েডস, যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাঁচাতে পারে। সূর্যের রশ্মির থেকে হওয়া পোড়াভাবও দূর করতে পারে। গাজরের রসের সঙ্গে সমপরিমাণ গোলাপ জল মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। রোদে বের হলে মাঝেমধ্যে মুখে তা স্প্রে করে নিন।

অ্যান্টি এজিং: অ্যালোভেরার সঙ্গে গাজরের রস মিশিয়ে মাখলে নতুন কোলাজেন তৈরি হবে। বলিরেখা দূর হয়ে আপনার ত্বকে বয়স বৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হবে।

এছাড়া, গাজরের মধ্যে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি ত্বকের যে কোনও সমস্যার মোকাবেলায় কাজ করে। শুধু মাখার জন্যই নয় আপনার খাদ্যতালিকাতেও নিয়মিত গাজর রাখুন। উপকার নিজেই টের পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *