এবার হ্যালো লিডারে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান

ভোটের আগে রঙ্গিন প্রতিশ্রুতি দেন জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু বিজয়ের পর বেমালুম ভুলে যান সেসব কথা। নেতাদের ভুলে যাওয়া কথাগুলো মনে করিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নই হ্যালো লিডারের উদ্দেশ্য।

আজ রোববার রাত ১০টায় একুশে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে ‘হ্যালো লিডার’। এ পর্বে (১২তম) লিডারের চেয়ারে বসছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ির সাংসদ, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মুরাদ হাসান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানটি রাত ২টায় এবং আগামীকাল সোমবার সকাল ৭টায় পুণ:প্রচার হবে।

একুশে টেলিভিশনের হেড অফ ইনপুট ড. অখিল পোদ্দারের সঞ্চালনায় ও হাসান শহিদ ফেরদৌসের প্রযোজনায় হ্যালো লিডারের আজকের এ পর্বে অতিথিকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য থাকবেন সিনিয়র সাংবাদিক আশীষ কুমার দে, সরিষাবাড়ির মানবজমিন পত্রিকার সাংবাদিক জাকারিয়া জাহাঙ্গীর ও স্থানীয় ভোটারেরা।

এছাড়া ডা. মুরাদ হাসানের নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুতিসমূহ এবং সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া-না হওয়া প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করবেন উদীয়মান দুই সমাজকর্মী; যাঁরা তাঁর সংসদীয় এলাকা সরিষাবাড়ির ভোটার।

হ্যালো লিডার অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে অখিল পোদ্দার জানান, এটি একটি জনক্ষমতায়ন বিষয়ক অনুষ্ঠান। দুর্নীতি রোধ করে জনপ্রতিনিধিদের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে বাধ্য করাই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য; যা তিনি নির্বাচনের আগে ভোটারদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার একাধিক ভোটারকেও জনপ্রতিনিধির (মন্ত্রী, সাংসদ কিংবা রাজনৈতিক নেতা) মুখোমুখি করা হয়।

তাঁরা তুলে ধরেন, নেতাদের পুরণো প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়নের বর্তমান অগ্রগতি। কাঙ্খিত উত্তর দিতে বিব্রত হলে জনগণকে সাক্ষী রেখে নিজেকে সংশোধনের সময় প্রার্থনা করেন সংশ্লিষ্ট লিডার। আর এভাবেই নগর-মহানগরসহ প্রত্যন্ত এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও অপরাধদমনে ‘হ্যালো লিডার’ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

প্রসঙ্গত, নেতার চারপাশে গড়ে ওঠা শক্তিশালী অন্ধকার দেয়াল ভাঙতেই একুশে টেলিভিশনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘হ্যালো লিডার।’

উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে অখিল পোদ্দারের সাংবাদিকতা শুরু। পরবর্তী সময়ে কাজ করেছেন ভোরের কাগজ এবং জনকণ্ঠ পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য অর্জন করেছেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুরস্কার। সম্মাননা পেয়েছেন দেশে ও বিদেশে।

বাংলা সাহিত্যের ছাত্র অখিল পোদ্দার মাস্টার্স পরীক্ষায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম হন। বুদ্ধদেব বসুর নাটক নিয়ে গবেষণা করে অর্জন করেছেন পিএইচডি ডিগ্রি। একুশে টেলিভিশনের হেড অফ ইনপুট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্তির আগে একই প্রতিষ্ঠানে অপরাধ ও অনুসন্ধানী বিভাগের প্রধান, প্রধান প্রতিবেদক এবং বিশেষ প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *