বড়লেখায় জনতার আদালতে বানরের মৃত্যুদণ্ড!

একুশের বার্তা ডেস্ক- মৌলভীবাজারের বড়লেখায় লোকালয়ে তাণ্ডব চালিয়ে এক শিশুকে হত্যা ও ৩০ জনকে আহত করে একটি বানর। পরে সেই বানরকেও মেরে ফেলেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার সকালে ঘুমের ওষুধ মিশানো ভাত খাইয়ে দিনব্যাপী ধাওয়া করে বিকালে বানরকে ধরার পর উত্তেজিত জনতা আদালত বসিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে।

অভিযোগ উঠেছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা এনামুল হক ইতিপূর্বে এলাকায় গিয়ে ভুক্তভোগী লোকজনকে বানরটি মেলে ফেলার নির্দেশ দেন। যদিও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী যে কোনো বন্যপ্রাণী হত্যা করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে ঘুমের ওষুধ মিশানো ভাত খাইয়ে দিনব্যাপী ধাওয়া করে বিকালে বানরকে ধরার পর উত্তেজিত জনতা আদালত বসিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। ১০ দিন পূর্বে রেঞ্জ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করে বনাঞ্চলে প্রত্যাবর্তনের কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বানরটিকে মেরে ফেলার জন্য ভুক্তভোগী লোকজনকে নির্দেশ দিয়ে যান। আর তখন থেকেই বানরটিকে মেরে ফেলার জন্য ৬-৭ গ্রামের বাসিন্দারা ধাওয়া শুরু করেন।

জানা গেছে, পাথারিয়া পাহাড়ের দলছুট একটি বানর গত ২০ দিন আগে উপজেলার কাঁঠালতলী এলাকায় লোকালয়ে আসে। বানরটি কাঁঠালতলী, রুকনপুর, বড়খলা, দক্ষিণ মুছেগুল, উত্তরভাগসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে দাপিয়ে নানা তাণ্ডব চালায়। সুযোগ বুঝে সেটি নিরীহ পথচারীসহ শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাতে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *