মৃত্যুর আগে লাইভে এসে যা বলেছিলেন সাংবাদিক শিরিন

একুশের বার্তা ডেস্ক- বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ঔষধ ব্যবসায়ী শিরিন মেডিকেল হলের মালিক ও সাংবাদিক শিরিন মারা গেছেন। রবিবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০ টায় দিকে দোকানের সামনে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিমে) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিরিনের শুভাকাঙ্ক্ষি এবং কয়েকজন ঘনিষ্ট সূত্র জানায়, ‘মৃত্যুর পূর্বে শিরিন তিন দফায় ফেসবুক লাইভে আসেন। সেখানে তিনি মালিকানাধীন শিরিন মেডিকেল হল’ সহ তার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এমনকি কে কে তার মালিকানাধীন ‘শিরিন মেডিকেল হল’ থেকে তাকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে তাদের নামও প্রকাশ করে।

তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো- মৃত্যুর পর পরই তার ‘শিরিন খানম’ নামক ফেসবুক আইডিটি ডিঅ্যাক্টিভ হয়ে যায়। যদিও তার আগেই রহস্যের বিষয়টি ধারনা করতে পেরে সংবাদকর্মীরা তার ফেসবুক লাইভের দুটি ভিডিও সংরক্ষণ করে।

এর একটি ভিডিও চিত্রে শিরিন তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পার্শ্ববর্তী ওষুধের দোকানী জনিসহ বেশ কয়েখজনের নাম উল্লেখ করে। পাশাপাশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি যে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন তাও প্রকাশ করেন। এসময় তিনি জনগণ এর বিচার করবে বলেও উল্লেখ করেন। ভিডিওতে শিরিন খানম আরও বলেন, ‘আমার প্রতিষ্ঠান উৎখাত করতে ষড়যন্ত্রকারীরা আল্টিমেটাম দিয়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবর তার আমার কাছ থেকে দোকানটি ছিনিয়ে নিতে সকল বন্দোবস্তের ছকও কল্পিত।

অপর একটি ভিডিতে দেখা যায়, শিরিন তার নিজের দোকানে কয়েকজন ব্যক্তির সাথে কথা বলছেন। কোন একটি কাগজ নিয়ে সেখানে কথা কাটাকাটি হচ্ছে। ভিডিওটিতে ফার্মেসীতে বসা এক ব্যক্তিকে বার বার দেখানো হয়। এসময় শিরিনের কান্না করার শব্দও শোনা যায়। সে ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে পুলিশ বেশ কয়েকটি বিষয়কে সামনে এনে প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *