শুধু শিল্পায়ন নয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী

একুশের বার্তা ডেস্ক- ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আপনারা শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলবেন, শিল্প উন্নয়ন করবেন সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়গুলোর দিকেও বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে রফতানি বাণিজ্যে অবদানের জন্য সেরা রফতানিকারকের মাঝে ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) যৌথ উদ্যোগে এই ট্রফি প্রদান করা হয়।

দেশের রফতানি বাণিজ্য উৎসাহিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবছর ব্যবসায়ীদের রফতানি ট্রফি প্রদান করা হয়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্যে অবদানের জন্য এবার সেরা ৬৬ রফতানিকারককে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ট্রফি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় রফতানি ট্রফি নীতিমালা অনুযায়ী মোট ২৮টি ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়া হয়।

বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ট্রফিপ্রাপ্তদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একটি অনুরোধ করব, আপনাদের ব্যবসায়ীদের সকলকে। শিল্পাঞ্চল আপনারা গড়ে তুলবেন, শিল্প উন্নয়ন করবেন। সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এ বিষয়টির দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাটা শুরু থেকেই করতে হবে।’

‘বর্জ্য দুই ধরনের থাকে। খুব হার্ড, যেটা একেবারে কেমিক্যাল বর্জ্যটা অথবা সলিড ওয়েস্ট বা অন্যান্য লিকুইড ওয়েস্ট। এসবের সবগুলোর একটা ব্যবস্থাপনা যদি শুরু থেকেই করেন যেটা আমাদের পরিবেশ রক্ষায় অত্যন্ত সহজ হবে এবং দেশের জন্য কল্যাণকর হবে মানুষের জন্যও কল্যাণকর হবে। সেইদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়া।’

এছাড়াও ব্যবসায়ীদের প্রতিটি শিল্পাঞ্চল এলাকায় জলাধার রাখার অনুরোধ করেন তিনি। বলেন, ‘প্রতিটি জায়গায় একটা জলাধার রাখা দরকার। সেই জলাধারগুলো যেমন বৃষ্টির পানি যাতে সেখানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যায়। বৃষ্টির পানি যেন এই জলাধারে সঞ্চিত হয়, যাতে আগুন লাগলে বা দুর্ঘটনা ঘটলে সেই পানিটা ব্যবহার করা যায়। আর একটা জলাধার থাকলে সেখানকার পরিবেশটাও ভালো থাকে।’

‘পাশাপাশি ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা দরকার। এটি আমাদের পরিবেশের জন্য একান্তভাবে দরকার। আমার এই অনুরোধটা আমি আপনাদের কাছে রেখে গেলাম।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *