মহৎ কাজ করতে গিয়ে ছেলেধরার তকমা!

দিনে দিনে বাঘের বংশ প্রায় নির্বংশ হওয়ার পথে। তাই বাঘ না মেরে তাকে অভয়ারণ্যের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে বাইকে সওয়ারি হয়ে পথে নেমেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রথীন্দ্রনাথ দাস ও স্ত্রী গীতাঞ্জলি।

মধ্যপ্রদেশের হোসাঙ্গাবাদের সাতপুরা অভয়ারণ্যে যাওয়ার সময় পথের মাঝে এক গ্রামের গাছতলায় বিশ্রাম নিতে বসেছিলেন তারা। তাই দেখে স্থানীয় এক নাবালক তাদের ছেলেধরা বলে সন্দেহ করে। খবর পৌঁছে যায় গ্রাম প্রধানদের কাছে। সঙ্গে সঙ্গে দম্পতিকে ঘিরে ধরেন গ্রামবাসীরা। মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় তাদের। অনেক বোঝানোর পর সবাই বুঝতে পারেন, মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই পথে নেমেছেন রথীন্দ্রনাথ-গীতাঞ্জলি। এরপরেই সসম্মানে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

শনিবার (২৭ জুলাই) তারা পৌঁছন মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। সাক্ষাৎকারে দম্পতি জানিয়েছেন, ৪০ হাজার কিলোমিটার বাইক চালিয়ে তারা পৌঁছবেন দেশের ২২টি অভয়ারণ্যে।

দেখা করবেন বন দফতর এবং বনের ধারে যারা বসতি গড়েছেন তাদের সঙ্গে। সবার কাছেই থাকবে তাদের একটাই আর্জি, বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ করুন। হারিয়ে যেতে দেবেন না দেশের গর্ব রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারসহ সমস্ত শ্রেণির বাঘেদের।

দাস দম্পতির ইচ্ছে, এই যাত্রা সফল হলে আগামী বছর ১২টি দেশ ঘুরবেন তারা। একই বার্তা নিয়ে। সেই যাত্রা সম্ভবত শুরু হবে ২০২০-র মার্চে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *